মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভিজিএফ

ভিজিডি/ভিজিএফ কর্মসূচি একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার ব্যাপ্তি সমগ্র বাংলাদেশে। বাংলাদেশ সরকার খাদ্য সম্পদের যোগান দিচ্ছে। খাদ্য সম্পদের পাশাপাশি বেসরকারী সংস্থার (NGO) মাধ্যমে উন্নয়ন প্যাকেজ (প্রশিক্ষণ, ঋণ ইত্যাদি) সেবায় অর্থায়ন করছে।

ভিজিডি/ভিজিএফ কর্মসূচি, বাংলাদেশের গ্রামীণ দুঃস্থ মহিলাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাসত্মবায়িত একটি বৃহত্তর সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি (A safety net programme with development orientation) যেটি সম্পূর্ণরূপে আর্থ-সামাজিকভাবে দুঃস্থ পরিবার বিশেষত: মহিলাদের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে। মহিলারা ওয়ার্ড-ভিত্তিক ক্ষুদ্র দলের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ ভিজিডি/ভিজিএফ কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত হয়। ভিজিডি/ভিজিএফ মহিলারা প্রশিক্ষণ প্যাকেজ (প্রশিক্ষণ, সঞ্চয়, ঋণ) সেবা গ্রহণের পাশাপাশি ২৪ (চব্বিশ) মাস ধরে মাসিক ৩০ কিলোগ্রাম গম/চাল খাদ্য সহায়তা পেয়ে থাকে। এই ২৪ (চব্বিশ) মাস সময়কালকে একটি ভিজিডি/ভিজিএফ চক্র হিসাবে গণ্য করা হয়। খাদ্য সহায়তা প্রাপ্তির ২৪ (চব্বিশ) মাসকালে, ভিজিডি/ভিজিএফ মহিলারা অনুমোদিত NGO-†`i মাধ্যমে জীবন দক্ষতা ও আয় বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ পেয়ে থাকে।

খাদ্য সহায়তা প্রাপ্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর এই মহিলারা সরকারী / বেসরকারী সংস্থা কর্তৃক বাসত্মবায়িত উন্নয়ন কর্মসূচির বিভিন্ন কর্মকান্ডে পূর্ণাঙ্গভাবে অনর্ত্মভূক্তির যোগ্যতা অর্জন করে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়াধীন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ভিজিডি/ভিজিএফ বানত্মবায়ন ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে। এই কর্মসূচীর আওতায় প্রতি ২৪ (চব্বিশ) মাস সময়কালের চক্রে ৭,৫০,০০০ (সাত লাখ পঞ্চাশ হাজার) মহিলা খাদ্য সহায়তা পায়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ভিজিডি/ভিজিএফ কর্মসূচীর পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা এবং বাসত্মবায়ন প্রক্রিয়া mgš^q করে।

ভিজিডি/ভিজিএফ কর্মসূচীর উদ্দেশ্য :

ভিজিডি/ভিজিএফ কর্মসূচি একটি জাতীয় কর্মসূচি, যার ব্যাপ্তি সমগ্র বাংলাদেশে। বাংলাদেশ সরকার খাদ্য সম্পদের যোগান দিচ্ছে। খাদ্য সম্পদের পাশাপাশি বেসরকারী সংস্থার (NGO) মাধ্যমে উন্নয়ন প্যাকেজ (প্রশিক্ষণ, ঋণ ইত্যাদি) সেবায় অর্থায়ন করছে।

ভিজিডি/ভিজিএফ কর্মসূচি, বাংলাদেশের গ্রামীণ দুঃস্থ মহিলাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাসত্মবায়িত একটি বৃহত্তর সামাজিক নিরাপত্তামূলক কর্মসূচি (A safety net programme with development orientation) যেটি সম্পূর্ণরূপে আর্থ-সামাজিকভাবে দুঃস্থ পরিবার বিশেষত: মহিলাদের উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে। মহিলারা ওয়ার্ড-ভিত্তিক ক্ষুদ্র দলের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ ভিজিডি/ভিজিএফ কমিটি কর্তৃক নির্বাচিত হয়। ভিজিডি/ভিজিএফ মহিলারা প্রশিক্ষণ প্যাকেজ (প্রশিক্ষণ, সঞ্চয়, ঋণ) সেবা গ্রহণের পাশাপাশি ২৪ (চব্বিশ) মাস ধরে মাসিক ৩০ কিলোগ্রাম গম/চাল খাদ্য সহায়তা পেয়ে থাকে। এই ২৪ (চব্বিশ) মাস সময়কালকে একটি ভিজিডি/ভিজিএফ চক্র হিসাবে গণ্য করা হয়। খাদ্য সহায়তা প্রাপ্তির ২৪ (চব্বিশ) মাসকালে, ভিজিডি/ভিজিএফ মহিলারা অনুমোদিত NGO-†`i মাধ্যমে জীবন দক্ষতা ও আয় বৃদ্ধিমূলক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ পেয়ে থাকে।

খাদ্য সহায়তা প্রাপ্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর এই মহিলারা সরকারী / বেসরকারী সংস্থা কর্তৃক বাসত্মবায়িত উন্নয়ন কর্মসূচির বিভিন্ন কর্মকান্ডে পূর্ণাঙ্গভাবে অনর্ত্মভূক্তির যোগ্যতা অর্জন করে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়াধীন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ভিজিডি/ভিজিএফ বানত্মবায়ন ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালন করে। এই কর্মসূচীর আওতায় প্রতি ২৪ (চব্বিশ) মাস সময়কালের চক্রে ৭,৫০,০০০ (সাত লাখ পঞ্চাশ হাজার) মহিলা খাদ্য সহায়তা পায়। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ভিজিডি/ভিজিএফ কর্মসূচীর পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা এবং বাসত্মবায়ন প্রক্রিয়া mgš^q করে।

ভিজিডি/ভিজিএফ কর্মসূচীর উদ্দেশ্য :

ভিজিডি/ভিজিএফ কর্মসূচীর দীর্ঘমেয়াদী উদ্দেশ্য হলো ‘To make Positive change in livelihood of Ultra poor women with attention to protect further deterioration of living condition’

¯^í‡gqv`x উদ্দেশ্য :

1. Increased food consumption and income generation activities.
2. Promote healthy behaviour and women empowerment .

ভিজিডি/ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ :

জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে ভিজিডি/ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ (গম/চাল) বাংলাদেশের দারিদ্রতার মানচিত্র (Poverty map) ও দারিদ্র স্মারণীর (Poverty database) ভিত্তিতে করা হয়ে থাকে। এই মানচিত্র ও স্মারণীতে উপজেলা ভিত্তিক মোট জনসংখ্যার শতকরা কতভাগ অতি দরিদ্রসীমার নীচে বাস করে তা প্রদর্শিত হয়।

ভিজিডি/ভিজিএফ কর্মসূচির মোট কার্ডসমূহ উপজেলাভিত্তিক অতি দরিদ্রতার শতকরা হার-এর অনুপাতিক হারে বন্টন করা হয়। এক্ষেত্রে উচ্চ দারিদ্র হার সম্পন্ন উপজেলাসমূহ বেশি বরাদ্দ পেয়ে থাকে এবং কম দারিদ্র হার সম্পন্ন উপজেলাসমূহ তুলনামূলকভাবে কম বরাদ্দ পেয়ে থাকে। তবে এই বরাদ্দ উপজেলাভিত্তিক অতি দরিদ্র জনসংখ্যার অনুপাতে করা হয় না।

উপজেলা পর্যায়ে কার্ড বরাদ্দ হয় মূলত: প্রতি ইউনিয়নে যেন ন্যূনতম ৫০ (পঞ্চাশ) টি কার্ড প্রদান করা যায় তার ভিত্তিতে। অধিকন্তু নির্দিষ্ট উপজেলার সকল ইউনিয়নে ভিজিডি/ভিজিএফ কার্ড পুনরায় বরাদ্দ দানের ক্ষেত্রে উপজেলা ভিজিডি/ভিজিএফ কমিটি খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা ও দূর্দশাগ্রস্থ পরিবারের সংখ্যা গুরম্নত্ব সহকারে বিবেচনা করে কার্ড বন্টন করবে। তবে কোন অবস্থাতেই সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভা এলাকায় ভিজিডি/ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ দেয়া হবেনা।

তালিকা সংযুক্ত

ছবি


সংযুক্তি

vgf-dulai.doc vgf-dulai.doc


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter